1. যান চলাচল বাঁদিকে
মূল পরিবর্তন হলো বাঁদিকে গাড়ি চালানো এবং অনেক দর্শনার্থীর পরিচিত দিকের বিপরীতে চালকের আসন। পেট্রোল স্টেশন, পার্কিং ও শান্ত পাশের রাস্তা থেকে বের হওয়ার সময় বিশেষ সতর্ক থাকুন, কারণ পুরোনো অভ্যাস তখন ফিরে আসতে পারে। প্রথম কয়েক দিনে ব্যস্ত জংশন বা সরু রাস্তা থাকলে অটোমেটিক গাড়ি কিছু ভ্রমণকারীর মানসিক চাপ কমাতে পারে।
2. লাইসেন্সের নিয়ম নির্ভর করে কোথা থেকে লাইসেন্স ইস্যু হয়েছে তার ওপর
বৈধ বিদেশি লাইসেন্সে নির্দিষ্ট সময় গাড়ি চালানো অনুমোদিত হতে পারে, কিন্তু গ্রেট ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডে বিস্তারিত আলাদা। সাধারণ ভ্রমণ ব্লগের বদলে আপনার লাইসেন্স প্রদানকারী দেশের জন্য সরকারি বা সড়কনিরাপত্তা নির্দেশনা ব্যবহার করুন। গ্রেট ব্রিটেন, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড পার হলে নিয়ম আলাদা করে যাচাই করুন।
3. ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট সব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক নয়
কিছু লাইসেন্স সরাসরি ব্যবহার করা যায়, অন্যগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট বা অনুবাদ লাগতে পারে। ভাড়ার কোম্পানি আইনি ন্যূনতমের বাইরেও নথি চাইতে পারে, তাই আইন ও চুক্তি দুটোই নিশ্চিত করুন। অন্য ভ্রমণ কাজে ডিজিটাল কপি যথেষ্ট মনে হলেও ভাড়ার কোম্পানি যে কাগজপত্র চায় সেগুলোর আসল কপি সঙ্গে রাখুন।
4. গ্রামীণ রাস্তা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক সরু হতে পারে
এক লেনের রাস্তা, পাথরের দেয়াল, ঝোপঝাড় ও অদৃশ্য বাঁক দৃশ্যমান এলাকায় স্বাভাবিক। ধীরে চালান, পাসিং প্লেস কীভাবে কাজ করে শিখুন এবং নেভিগেশন অ্যাপের অনুমানকৃত সময়কে প্রতিযোগিতা বানাবেন না। পাসিং প্লেস গাড়িকে পাশ দেওয়ার জন্য, ছবি তুলতে পার্ক করার জন্য নয়।
5. রাউন্ডঅ্যাবাউট মনোযোগ দাবি করে
সাধারণত রাউন্ডঅ্যাবাউটে ইতিমধ্যে থাকা গাড়ির অগ্রাধিকার থাকে এবং বড় জংশনে লেন নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। চাপের মধ্যে শেখার বদলে গাড়ি চালানোর আগে স্থানীয় হাইওয়ে কোড পড়ুন। বড় বহু-লেনের রাউন্ডঅ্যাবাউটে ঢোকার আগে এক্সিট ও লেন শনাক্ত করা শেষ মুহূর্তে লেন বদলের চেয়ে সহজ।
6. বড় শহরের ভেতরে গাড়ি প্রায়ই খারাপ পছন্দ
লন্ডন, এডিনবরো ও ডাবলিনে বিস্তৃত গণপরিবহন ও পার্কিং সীমাবদ্ধতা আছে। শহর দেখা শেষ করে গাড়ি নেওয়া অব্যবহৃত গাড়ি রেখে দেওয়ার চেয়ে সহজ ও সস্তা হতে পারে। শহরের কেন্দ্রের বাইরে গাড়ি নেওয়া বা ফেরত দিলে যেসব দিনে গাড়ির দরকার নেই সেসব দিনে পার্কিং ও যানজটের খরচ কমে।
7. আয়ারল্যান্ড ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে ভাড়ার পরিকল্পনা দরকার
স্থলসীমান্ত পার হওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য সহজ, কিন্তু ভাড়ার কোম্পানি আগাম অনুমতি বা ফি চাইতে পারে। সীমান্তের দুই পাশে গতিসীমা ও কিছু সড়কচিহ্ন ভিন্ন—এটাও মনে রাখুন। গাড়ি নেওয়ার আগে সীমান্ত পার হওয়ার পরিকল্পনা কোম্পানিকে জানান, যাতে বীমা ও চুক্তির শর্ত পরিষ্কার থাকে।
8. প্রথম ড্রাইভিং দিনের আগে স্থানীয় নিয়ম শিখুন
গতিসীমা, পার্কিং বিধি, টোল ও সড়কচিহ্ন সরকারি উৎস থেকে দেখে নিন। গাড়ি চলার সময় অপরিচিত নিয়ম বোঝার চেয়ে গাড়ি নেওয়ার আগে দশ মিনিট প্রস্তুতি বেশি উপকারী। পার্কিং, টোল ও সড়কচিহ্নের প্রাসঙ্গিক সরকারি নির্দেশনা অফলাইনে সেভ করে রাখুন।
আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা করছেন?
SY.com-এ ফ্লাইটের বিকল্প ও ভ্রমণ অফার তুলনা করুন।
ফ্লাইট খুঁজুন